Social Icons

Pages

Friday, July 1, 2016

‘পানির অভাবে বাড্ডার বাসিন্দারা’

বাড্ডাতে পানির অভাব

নুরুজ্জামান ফারাবি,
ঢাকা: বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু সেই জীবন নামক তরল পদার্থটুকু যদি সঠিক সময়ে পাওয়া না যায় বা নিজের কাছে না থাকে তাহলে এ জীবনের মানে কি? রাজধানীতে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ অন্যান্য নানা সুযোগ-সুবিধা থাকে বলেই তো মানুষ এখানে বসবাস করে। যদি রাজধানীর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবাস করেও যদি সারা পানি পাওয়া না যায় তাহলে এই দায় কার? ভাগ্যের নাকি সরকারের?
গাড়ি দিয়ে পানি নেয়া হচ্ছে
বাড্ডাতে পানির অভাব

উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা ও মেরুল বাড্ডা এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, কিছু এলাকায় গত মে মাস থেকে সারা দিনে দু’এক বার পানি। তাও রাতের বেলা। সর্বশেষ জুনের ২৫ তারিখ থেকে একেবারেই পানি পাচ্ছেন না কয়েকটি মহল্লার লোকজন। বিশেষ করে উত্তর বাড্ডা তেতুঁল তলা রোড, হোসেন মার্কেট ময়নারবাগ, আর্দশ নগর, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা দিয়ে পূর্ব দিকের এলাকায়গুলো তে পানি নিয়মিত আসে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৫ রমজানের পর থেকে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। সারা রাত বিভিন্ন বাসায় বাসায় গিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হয়। কেউ কেউ টাকা দিয়ে পানি কিনে আনেন। ভ্যান ভাড়া করে বালতি, কলস বা অন্যান্য পাত্রে পানি সংগ্রহ করতে হয়। তাও কোনো সহজ পথে না, অনেকে সঙ্গে ধাক্কা-ধাক্কি, ঝগড়া, এমনকি মারামারির মতো বিষয়ও ঘটে। কারণ একটাই ঘরে রান্না করতে হলে পানি লাগবে, ইফতারে রোজা শুরু করতে পানি লাগবে, গোসল করতে পানি লাগবে ইত্যাদি।
রোজা রেখে মহিলা ও শিশুরা পানি টানছে।

এব্যাপারে ঢাকা ওয়াসা সঠিক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। রমজান মাস উপলক্ষ্যে তারা কাজের ব্যাপারে গড়িমসি করছে। বাড্ডা এলাকায় পানি সরবরাহ হয় নতুন বাজার ওয়াসা অফিস থেকে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী অশোক কুমারের সঙ্গে ফোনে আলাপ হলেও অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। সকাল ১১টায় ওয়াসা অফিসে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ক্ষিতীশ কুমার অসুস্থতার জন্য অনেক দিন অফিসে আসেন না। সহকারী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা ১১.৩০ মিনিটেও অফিসে আসেননি। কর্তব্যরত কাউকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুর রহমান এর সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান নানা সীমাবদ্ধতার কথা। বিভিন্ন এলাকায় পানি নেই, এলাকাবাসী রোজা রেখে সারা দিন পানি টানে। এ বিষয়ে আপনারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আসলে গ্রীষ্মমৌসুমে এমন সমস্যা দেখা দেয়। পানির স্তর নিচে নেমে যায়। তাই পানি পাওয়া যায় না।’
অশোক কুমার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন। সেখানে তিনি লোকজনকে দ্রুত এর সমাধানের জন্য আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু অনেক দিন পার হয়ে গেছে। তাতেও কোনো কাজ হয়নি। এর সমাধান কি?

শামসুল রহমান বলেন,‘আসলে ওই এলাকাটা আমার না। তাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানি না।’ অফিসে কর্মকর্তা বা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনটির উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেননি। পরে অবশ্য স্বীকার করেন আমি সব বিষয়ে জানিনা।

No comments:

Post a Comment

Note: Only a member of this blog may post a comment.

 

Sample text

Sample Text

Sample Text

 
Blogger Templates