এটা আমার দ্বিতীয় পোস্ট। আজ আমি আপনাদের কিছু তথ্য দিবো। 3D ডিজাইন কি? কেনো এটা করা দরকার ও বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী 3D ডিজাইনের প্রযোজনীয়তা কি? ##
3d থ্রিডি হলো থ্রি-ডাইমেনশন । এটি এমন একটি প্রযুক্তি যার প্রস্থ (width), উচ্চতা (height) ও গভীরতা (depth) রয়েছে । বস্তুগত পরিবেশই হলো থ্রিডি বা থ্রি-ডাইমেনশনাল, আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা সবসময়ই থ্রিডির আশপাশে থাকি।
মানুষ শুধু চোখে দেখেই একটি বস্তুর সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পারে কারণ আমাদের থ্রিডি পারসেপশন রয়েছে। এটিকে আরো বলা হয় ডেপথপারসেপশন । আমরা যখন চারদিকে তাকাই তখন আমাদের দু-চোখের রেটিনা চোখের ভেতরে একটি টু-ডাইমেনশনাল ইমেজ তৈরি করে । আর আমাদের মস্তিস্ক সেই ইমেজকে থ্রিডি ভিজুয়্যাল এক্সপেরিয়েন্সে রুপ দেয় ।
3d থ্রিডি হলো থ্রি-ডাইমেনশন । এটি এমন একটি প্রযুক্তি যার প্রস্থ (width), উচ্চতা (height) ও গভীরতা (depth) রয়েছে । বস্তুগত পরিবেশই হলো থ্রিডি বা থ্রি-ডাইমেনশনাল, আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা সবসময়ই থ্রিডির আশপাশে থাকি।
মানুষ শুধু চোখে দেখেই একটি বস্তুর সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পারে কারণ আমাদের থ্রিডি পারসেপশন রয়েছে। এটিকে আরো বলা হয় ডেপথপারসেপশন । আমরা যখন চারদিকে তাকাই তখন আমাদের দু-চোখের রেটিনা চোখের ভেতরে একটি টু-ডাইমেনশনাল ইমেজ তৈরি করে । আর আমাদের মস্তিস্ক সেই ইমেজকে থ্রিডি ভিজুয়্যাল এক্সপেরিয়েন্সে রুপ দেয় ।
থ্রিডি এনিমেশন : কেন শিখবেন ? কি শিখবেন ??
থ্রিডি
এনিমেশন কাজে আগ্রহি ব্যক্তির অভাব নেই।
সংখ্যায়
হাজার ছাড়িয়ে লাখের ঘরে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বাংলাদেশে
থ্রিডি কাজ করার কোন ষ্টুডিও কিংবা শেখানোর কোন প্রতিষ্ঠানের কোন নাম কি করতে
পারেন যার একনামে পরিচিতি রয়েছে ?
নেই। এমন না যে থ্রিডি এনিমেশনের কাজ হচ্ছে না।
যথেষ্ট
পরিমানে হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তো বটেই, ইদানিং ভিডিও স্পেশাল ইফেক্ট হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। তারপরও, এনিমেশন কাজের জন্য পরিচিত ষ্টুডিও কিংবা শিক্ষা প্রতিস্ঠান নেই। এই অবস্থার মধ্যে যারা শিখছেন, কাজ করছেন, তারা শিখছেন নিজের
মত করে। তাদের কারো কারো সাথে হয়ত এনিমেশনের
মুল বিষয়ের বড় রকমের গড়মিল থেকে যাচ্ছে।
যদি আপনি
আগ্রহি হন, যদি এমনই হয় আপনি একাজ করবেনই করবেন, তাহলে
আপনার প্রথম শিক্ষা, শিখতে হবে নিজে। অন্যান্য অনেকের মত কেউ একবার দেখিয়ে দিলেই শিখে ফেলব এই
আশা করে সময় ক্ষেপন করবেন না। নিজে যদি শিখতে না পারেন তাহলে
বাস্তবতা স্বিকার করুন, হয়ত থ্রিডি এনিমেশন আপনার জন্য না।
পুরোপুরি নিজে
শেখা কঠিন, কারো সহযোগিতা থাকলে সুবিধে হয়। সেজন্যই এই লেখা।
শেখার সাথে
সম্পর্ক প্রশ্নের। প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর থেকে শিখবেন এটাই নিয়ম। প্রশ্ন করতে শুরু করুন।
কেন শিখবেন ?
শখ, ভাল লাগে, দেখি
না কিভাবে কাজ হয় ...... এধরনের মনোভাব যদি থাকে তাহলে থ্রিডি এনিমেশনের কথা ভুলে
যান। শখ করে এনিমেটর-প্রোগ্রামার এসব হওয়া যায় না। দিন কখন শুরু হয়, কখন শেষ হয় এসব ভুলে যদি কম্পিউটারের সামনে দিনরাত কাটানোর মনোবল থাকে
তবেই সামনে এগোন।
এখনও এই লেখা
পড়ছেন দেখে ধরে নিচ্ছি সেটা আপনার আছে। আপনি এনিমেশনকে পেশা হিসেবে নিতে চান। একইসাথে শখ পুরন হবে,
সৃষ্টিশীল কিছু করবেন, সুনাম কুড়াবেন
এবং সেইসাথে যথেষ্ট পরিমান অর্থ উপার্জন করবেন।
তাহলে
বাস্তবে দেখা যাক কি করা যায়।
আগেই একবার
উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞাপনের কথা। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়
বিজ্ঞাপনে। সবথেকে বেশি আয়ও আসে এদিক থেকেই।
প্রথম লক্ষ্য
হতে পারে সেটাই। একটি সাবান কিংবা পানির বোতল তৈরী করা তুলনামুলক সহজ কাজ। তাকেই প্রথম টার্গেট করতে পারেন।
সেইসাথে
টিভিতে যাকিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হয় তার সবই করতে পারবেন এটা ধরে নেবেন না, অন্তত শুরুতে। অনেক বিজ্ঞাপনই অন্য দেশ থেকে করে আনা হয়।
টিভি যাকিছু
অনুষ্ঠান দেখানো হয় তাতে কিছু এনিমেশনের বিষয় থাকে।
শুরুতে এবং
শেষে তো বটেই, ভেতরেও। হলিউডের মত
থ্রিডি মুভি তৈরী হয়না, সিনেমায় থ্রিডি স্পেশাল ইফেক্টের ব্যবহার চালু হয়নি, বাংলাদেশের টিভির খবরে বিবিসি-সিএনএন এর মত এনিমেশন ব্যবহার হয় না একথা
বলেও বলতে হয় কিছু তৈরী এনিমেশন ব্যবহার করা হয়, আগামীতে
ব্যবহার আরো বৃদ্ধি পাবে। এদিকেও দৃষ্টি দিতে পারেন।
যদি দল গড়তে
পারেন তাহলে নিজেই পুরো এনিমেশনের কাজে হাত দিতে পারেন।
এনিমেটেড
বিজ্ঞাপন, এমনকি কয়েক মিনিটের এনিমেটেড মুভি।
বলিউডে
সম্প্রতি তৈরী হয়েছে টুনপুর কা সুপার হিরো।
এই মানের
এনিমেশন বাংলাদেশে করা সম্ভব। মনে করিয়ে দেয়া যেতে পারে, বেশ কয়েক বছর আগে মন্টুমিয়া তৈরী
হয়েছিল। বিষয়টি সামনের দিকে যায়নি।
কাজেই সেকাজ
খুব সহজ ধরে নেবেন না। স্পন্সর যদি মনে করে এনিমেশনের থেকে ভিডিওর দাম বেশি
তাহলে মনের দুঃখ মনে চেপে সামনে এগোতে চেষ্টা করবেন।
লক্ষ্য যখন
ঠিক হয়েই গেছে তখন কাজের ধরনের দিকে একবার দৃষ্টি দেয়া যাক, সংক্ষেপে।
এনিমেশনের জন্য
মডেল তৈরী করা এক কাজ, সেগুলিকে পছন্দমত রঙচঙে করা আরেক কাজ, বিভিন্ন
দিকে লাইট-ক্যামেরা বসানো আরেক কাজ এবং সেগুলোর নড়াচড়া (মুল এনিমেশন) আরেক কাজ। এর প্রতিটি কাজই এতটা জটিল হতে পারে যে একার পক্ষে সবকাজ করা সম্ভব হয় না। এনিমেশন ষ্টুডিওতে ভিন্ন ভিন্ন কাজ ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি করে। মডেলারের কাজ শুধুমাত্র মডেল তৈরী করা, এনিমেটরের কাজ তৈরী জিনিষগুলি এনিমেট করা। সম্ভব হলে দল গড়ুন এবং প্রত্যেকের কাজ আগেই নির্দিষ্ট করে দিন।
যদি একাই সব
কাজ করতে চান তাহলে কখনো বড়কাজের সুযোগ পাবেন না।
জানেন
নিষ্চয়ই, আপনি একা পুকুর কাটতে পারেন না।
বড়জোর একটা
গর্ত বানাতে পারেন।
যদি একা কাজ
করতেই হয় তাহলে আরেকটি দিক হতে পারে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বিদেশের কাজ করা। থ্রিডি মডেল তৈরীতে দক্ষ হলে ঘরে বসে কাজ করতে পারেন।
আয় সম্পর্কে
কিছুটা ধারনা দিতে পারি, একটি ক্যারেকটার মডেল করার জন্য পাবেন কমপক্ষে ১০০ ডলার, সময় লাগবে ১ থেকে ২ দিন।
বিস্তারিত জানতে স্বপ্ন একাডেমি বিডি এর সঙ্গে থাকুন।
ধন্যবাদ
নুরুজ্জামান ফারাবি