Social Icons

Pages

Tuesday, November 22, 2016

পিএসসির ঝাঁজে ঝলসে যাচ্ছে ছোটরা, দায়টা কার?

এন ফারাবি
বাপ-চাচাদের মুখে শোনা কথা-- এক-দুই দশক আগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বয়স থাকতো ১৮-২০ বছর। কারণ ওই সময়ের ছেলে বা মেয়েরা একটু দেরিতেই স্কুলে ভর্তি হতো। ওই বয়সের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে ভয় পেত। সেই ভয় ভাঙ্গাতে তার সঙ্গে পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয়স্বজনরা এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতো। নানান জনের নানা পরামর্শ থাকতে তাদের প্রতি। কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট ঢুকছে এ খবর পেলে অনেকে আতংকে থাকতো। কখন যানি কি হয়!

সম্প্রতি সময়ে বাবা-মায়ের মনে একটা চিন্তা কাজ করে, কত দ্রুত, কিভাবে, কোথায় সন্তানকে পড়ালেখা করাতে হবে। এ নিয়ে তাদের ঘুম নষ্ট। শিশুরা যখন আড়াই থেকে তিন বছর বয়সে পা রাখে। মাত্র কয়েকটি কথা বলা শুরু করেছে তখনই বাচ্চাদের হাতে তুলে দেয়া হয় নানা জাতের রঙ-বেরঙয়ের বইপুস্তক। এখানেই শেষে নয়, এতো মাত্র শুরু। ৯-১১ বছর বয়সেই তাদের দিতে হয় জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষা। এতো অল্প বয়সে এতো বড় পরীক্ষা দিতে গিয়ে মানসিক ও শরীরিক চাপে থাকে কোমলমতি শিশুরা। এর চেয়ে বিপদজনক কথা হলো বাবা-মা থেকে শুরু করে শিক্ষক ও বড়দের নানা উপদেশ। যেমন:

‘এটা কিন্তু তোমার জীবনের প্রথম পরীক্ষা, মোটেও খারাপ করা যাবে না’, ‘এই পরীক্ষায় যদি তুমি খারাপ করো তাহলে সারা জীবনেও এই ভুলের মাসুল দিতে পারবে না’, ‘তোমার এই পরীক্ষার উপর নির্ভর করছে আমাদের মানসম্মান,’ ‘তুমি যদি এ প্লাস না পাও তাহলে আমি কারো সামনে মুখ দেখাতে পারবো না’, ‘ওমুকের ছেলে, তমুকের মেয়ে এতো ভালো রেজাল্ট করেছে তাই তোমাকেও দেখিয়ে দিতে হবে’।

হাই ভোল্টিজের এতো ওজনের কথাগুলোর যে কোনো একটাও যদি বলা হয়, তাহলে কি শিশু মনে এর প্রভাব পড়বে না? অবশ্যই পড়বে। তাহলে আমরা কি জেনে বুঝে এই কাজগুলো করছি? শুধু কি তাই, পিএসসি পরীক্ষা দিবে যে শিক্ষার্থী তার চেয়ে কয়েকগুন বেশি চিন্তিত থাকতে হয় বাবা মাকে। সকালে স্কুল, দুপুরে খাওয়া-দাওয়া, বিকেলে কোচিং, সন্ধ্যায় বাসায় দু’টি শিক্ষক আসেন পড়াতে। এমন চিত্র রাজধানীর প্রায় পিএসসি পরীক্ষার্থীর বেলা হয়। একটি বছর কতটা চাপের উপর কাটাতে এই পরীক্ষার্থীকে সেটা কেবল সেই বোঝে।

এ বছর মোট ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন শিক্ষার্থী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। প্রাথমিকে ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৩ ও ইবতেদায়িতে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭১৫ জন শিক্ষার্থী । দেশের ৭ হাজার ১৯৪টি ও বিদেশের ১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলবে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরিসংখ্যান দেখে মনে হচ্ছে বেশ ভালো শিক্ষার্থী। এক মাস পর যখন রেজাল্ট দিবে তখনও থাকবে এ প্লাসের ছড়াছড়ি। কিন্তু গ্রামের কথা চিন্তা করলে দেখা যাবে চিত্র আরো ভয়াবহ। গ্রামের এমন অনেক পরিবার আছে যেখানে সন্তানরা একবার পিএসসি পরীক্ষায় ফেল করলে আর দ্বিতীয় বার পরীক্ষা দেয়া সুযোগ নেই। বাবা-মা সাফ জানিয়ে দেন, তোকে দিয়ে পড়ালেখা হবে না। তাই অনেক শিশু অল্প বয়সে বিদ্যালয় থেকে দূরে সরে যায়।

আর মন্ত্রণালয় থেকে বার বার বলা হয় এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে।

এখন প্রশ্ন??? দায়টা কার? শিশুর, যে এই আধুনিক সময়ে পৃথবীতে জন্ম নিলো। নাকি বাবা-মার। যারা চায় সন্তান অন্য সকল সন্তানের চেয়ে ভালো রেজাল্ট করুক। জীবনের সব ক্ষেত্রে যেনো এ প্লাস নিয়ে আসে। নাকি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার। যেখানে এতো অল্প সময়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বোর্ড পরীক্ষার মতো এতো বড় দায়িত্ব। নাকি আধুনিক বিশ্বের। যেখানে তাল মিলাতে গিয়ে আমরা বেতাল হয়ে পড়ছি।

Friday, August 19, 2016

Sunday, July 10, 2016

Zakir Naik’s Peace TV bans in Bangladesh



Zakir Naik’s Peace TV bans in Bangladesh 

Nuruzzaman Farabi,
Dhaka: The Bangladesh government has banned of broadcasting of India-based controversial preacher Zakir Naik’s Peace TV channel. On Sunday, after reports that his “provocative” speeches inspired some of the militants who carried out the country’s worst terror attack in Dhaka.
Dr. Zakir Naik
The Cabinet Committee on Law and Order, industry minister Aamir Hossain Amu Sunday said, the decision to ban the Mumbai-based preacher’s ‘Peace TV Bangla’ was taken during a special meeting. (1)
At the meeting, Moreover, the committee also took several decisions including to monitor of the preaching during Juma prayers and other religious congregations in the country. (2)
On that meeting has attended by senior ministers and top security officials. We are monitoring whether any provocative lectures are delivered, Amu told reporters.
The government also appealed to the Imams in the country to deliver lectures in line with real Islamic ideology of denouncing terrorism and extremism, the minister said.
Home Minister Asaduzzaman Khan had yesterday said that Bangladesh’s intelligence agencies were investigating the Islamic preacher Naik. (3)
“He is on our security scanner... Our intelligence agencies are investigating his activities as his lectures appeared provocative,” Khan had said.
Naik’s speeches are believed to have inspired some of the Bangladeshi militants, who killed 22 people, mostly foreigners, at an upscale restaurant in Dhaka on July 1.
See below 3 point:



(1) Why Bangladesh bans Peace TV channel? General people want to know to this, Is only the reason of terrorist attack. That is clear, no. Because, There have global political issue, they want to try to stop this Channel. This is a major reason to bans it. If we see all of the Lecture of Zakir Naik’s there are no “provocative” speeches inspired some one.  

Poor record on free speech

Example: Zakir’s Naik’s most controversial speech revolves around his defence of Osama bin Laden. “If he [Laden] is terrorising America the terrorist [then] I’m with him,” argues Naik. “Every Muslim should be a terrorist." This was the speech shared by Rohan Imitiaz, one of the Dhaka militants.
However, Naik has, on several occasions, denounced the militant Islamic State group, to which the Dhaka terrorists swore allegiance. He has also denied that he ever made the pro-Laden statement, claiming the video in circulation is a doctored one. This seems to be unlikely, given that he’s defended Laden many times.
Peace TV, Zakir Naik ban
(2) We live here hundred or thousand year, there have lot of religious congregations in the country. But now this situation minister said, they observed all congregational area, that very execs on our religion.  
(3) No doubt, Naik is one of the most power scholar in the world. He research many religion, but it so much pathetic that without any Islamic scholar Bangladesh were investigating the Islamic preacher Naik. That is really funny.

Friday, July 1, 2016

‘পানির অভাবে বাড্ডার বাসিন্দারা’

বাড্ডাতে পানির অভাব

নুরুজ্জামান ফারাবি,
ঢাকা: বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু সেই জীবন নামক তরল পদার্থটুকু যদি সঠিক সময়ে পাওয়া না যায় বা নিজের কাছে না থাকে তাহলে এ জীবনের মানে কি? রাজধানীতে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ অন্যান্য নানা সুযোগ-সুবিধা থাকে বলেই তো মানুষ এখানে বসবাস করে। যদি রাজধানীর সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবাস করেও যদি সারা পানি পাওয়া না যায় তাহলে এই দায় কার? ভাগ্যের নাকি সরকারের?
গাড়ি দিয়ে পানি নেয়া হচ্ছে
বাড্ডাতে পানির অভাব

উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা ও মেরুল বাড্ডা এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, কিছু এলাকায় গত মে মাস থেকে সারা দিনে দু’এক বার পানি। তাও রাতের বেলা। সর্বশেষ জুনের ২৫ তারিখ থেকে একেবারেই পানি পাচ্ছেন না কয়েকটি মহল্লার লোকজন। বিশেষ করে উত্তর বাড্ডা তেতুঁল তলা রোড, হোসেন মার্কেট ময়নারবাগ, আর্দশ নগর, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা দিয়ে পূর্ব দিকের এলাকায়গুলো তে পানি নিয়মিত আসে না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৫ রমজানের পর থেকে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। সারা রাত বিভিন্ন বাসায় বাসায় গিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হয়। কেউ কেউ টাকা দিয়ে পানি কিনে আনেন। ভ্যান ভাড়া করে বালতি, কলস বা অন্যান্য পাত্রে পানি সংগ্রহ করতে হয়। তাও কোনো সহজ পথে না, অনেকে সঙ্গে ধাক্কা-ধাক্কি, ঝগড়া, এমনকি মারামারির মতো বিষয়ও ঘটে। কারণ একটাই ঘরে রান্না করতে হলে পানি লাগবে, ইফতারে রোজা শুরু করতে পানি লাগবে, গোসল করতে পানি লাগবে ইত্যাদি।
রোজা রেখে মহিলা ও শিশুরা পানি টানছে।

এব্যাপারে ঢাকা ওয়াসা সঠিক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। রমজান মাস উপলক্ষ্যে তারা কাজের ব্যাপারে গড়িমসি করছে। বাড্ডা এলাকায় পানি সরবরাহ হয় নতুন বাজার ওয়াসা অফিস থেকে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী অশোক কুমারের সঙ্গে ফোনে আলাপ হলেও অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। সকাল ১১টায় ওয়াসা অফিসে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ক্ষিতীশ কুমার অসুস্থতার জন্য অনেক দিন অফিসে আসেন না। সহকারী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা ১১.৩০ মিনিটেও অফিসে আসেননি। কর্তব্যরত কাউকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুর রহমান এর সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান নানা সীমাবদ্ধতার কথা। বিভিন্ন এলাকায় পানি নেই, এলাকাবাসী রোজা রেখে সারা দিন পানি টানে। এ বিষয়ে আপনারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আসলে গ্রীষ্মমৌসুমে এমন সমস্যা দেখা দেয়। পানির স্তর নিচে নেমে যায়। তাই পানি পাওয়া যায় না।’
অশোক কুমার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন। সেখানে তিনি লোকজনকে দ্রুত এর সমাধানের জন্য আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু অনেক দিন পার হয়ে গেছে। তাতেও কোনো কাজ হয়নি। এর সমাধান কি?

শামসুল রহমান বলেন,‘আসলে ওই এলাকাটা আমার না। তাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানি না।’ অফিসে কর্মকর্তা বা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনটির উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেননি। পরে অবশ্য স্বীকার করেন আমি সব বিষয়ে জানিনা।

Thursday, May 5, 2016

This is my second post about 3D desing. How to learn 3D?

এটা আমার দ্বিতীয় পোস্ট। আজ আমি আপনাদের কিছু তথ্য দিবো। 3D ডিজাইন কি? কেনো এটা করা দরকার ও বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী 3D ডিজাইনের প্রযোজনীয়তা কি? ##



3d থ্রিডি হলো থ্রি-ডাইমেনশন । এটি এমন একটি প্রযুক্তি যার প্রস্থ (width), উচ্চতা (height) ও গভীরতা (depth) রয়েছে । বস্তুগত পরিবেশই হলো থ্রিডি বা থ্রি-ডাইমেনশনাল, আমাদের প্রতিদিনের জীবনে আমরা সবসময়ই থ্রিডির আশপাশে থাকি।
মানুষ শুধু চোখে দেখেই একটি বস্তুর সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পারে কারণ আমাদের থ্রিডি পারসেপশন রয়েছে। এটিকে আরো বলা হয় ডেপথপারসেপশন । আমরা যখন চারদিকে তাকাই তখন আমাদের দু-চোখের রেটিনা চোখের ভেতরে একটি টু-ডাইমেনশনাল ইমেজ তৈরি করে । আর আমাদের মস্তিস্ক সেই ইমেজকে থ্রিডি ভিজুয়্যাল এক্সপেরিয়েন্সে রুপ দেয় ।



থ্রিডি এনিমেশন : কেন শিখবেন ? কি শিখবেন ??
থ্রিডি এনিমেশন কাজে আগ্রহি ব্যক্তির অভাব নেই সংখ্যায় হাজার ছাড়িয়ে লাখের ঘরে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই বাংলাদেশে থ্রিডি কাজ করার কোন ষ্টুডিও কিংবা শেখানোর কোন প্রতিষ্ঠানের কোন নাম কি করতে পারেন যার একনামে পরিচিতি রয়েছে ?
নেই এমন না যে থ্রিডি এনিমেশনের কাজ হচ্ছে না যথেষ্ট পরিমানে হচ্ছে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তো বটেই, ইদানিং ভিডিও স্পেশাল ইফেক্ট হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে তারপরও, এনিমেশন কাজের জন্য পরিচিত ষ্টুডিও কিংবা শিক্ষা প্রতিস্ঠান নেই এই অবস্থার মধ্যে যারা শিখছেন, কাজ করছেন, তারা শিখছেন নিজের মত করেতাদের কারো কারো সাথে হয়ত এনিমেশনের মুল বিষয়ের বড় রকমের গড়মিল থেকে যাচ্ছে
যদি আপনি আগ্রহি হন, যদি এমনই হয় আপনি একাজ করবেনই করবেন, তাহলে আপনার প্রথম শিক্ষা, শিখতে হবে নিজেঅন্যান্য অনেকের মত কেউ একবার দেখিয়ে দিলেই শিখে ফেলব এই আশা করে সময় ক্ষেপন করবেন না নিজে যদি শিখতে না পারেন তাহলে বাস্তবতা স্বিকার করুন, হয়ত থ্রিডি এনিমেশন আপনার জন্য না পুরোপুরি নিজে শেখা কঠিন, কারো সহযোগিতা থাকলে সুবিধে হয়। সেজন্যই এই লেখা।
শেখার সাথে সম্পর্ক প্রশ্নের প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর থেকে শিখবেন এটাই নিয়ম প্রশ্ন করতে শুরু করুন
কেন শিখবেন ?
শখ, ভাল লাগে, দেখি না কিভাবে কাজ হয় ...... এধরনের মনোভাব যদি থাকে তাহলে থ্রিডি এনিমেশনের কথা ভুলে যান শখ করে এনিমেটর-প্রোগ্রামার এসব হওয়া যায় না দিন কখন শুরু হয়, কখন শেষ হয় এসব ভুলে যদি কম্পিউটারের সামনে দিনরাত কাটানোর মনোবল থাকে তবেই সামনে এগোন

এখনও এই লেখা পড়ছেন দেখে ধরে নিচ্ছি সেটা আপনার আছে আপনি এনিমেশনকে পেশা হিসেবে নিতে চান একইসাথে শখ পুরন হবে, সৃষ্টিশীল কিছু করবেন, সুনাম কুড়াবেন এবং সেইসাথে যথেষ্ট পরিমান অর্থ উপার্জন করবেন তাহলে বাস্তবে দেখা যাক কি করা যায়
আগেই একবার উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞাপনের কথা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কাজ হয় বিজ্ঞাপনে সবথেকে বেশি আয়ও আসে এদিক থেকেই প্রথম লক্ষ্য হতে পারে সেটাই একটি সাবান কিংবা পানির বোতল তৈরী করা তুলনামুলক সহজ কাজ তাকেই প্রথম টার্গেট করতে পারেন সেইসাথে টিভিতে যাকিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হয় তার সবই করতে পারবেন এটা ধরে নেবেন না, অন্তত শুরুতে অনেক বিজ্ঞাপনই অন্য দেশ থেকে করে আনা হয়
টিভি যাকিছু অনুষ্ঠান দেখানো হয় তাতে কিছু এনিমেশনের বিষয় থাকে শুরুতে এবং শেষে তো বটেই, ভেতরেওহলিউডের মত থ্রিডি মুভি তৈরী হয়না, সিনেমায় থ্রিডি স্পেশাল ইফেক্টের ব্যবহার চালু হয়নি, বাংলাদেশের টিভির খবরে বিবিসি-সিএনএন এর মত এনিমেশন ব্যবহার হয় না একথা বলেও বলতে হয় কিছু তৈরী এনিমেশন ব্যবহার করা হয়, আগামীতে ব্যবহার আরো বৃদ্ধি পাবে এদিকেও দৃষ্টি দিতে পারেন
যদি দল গড়তে পারেন তাহলে নিজেই পুরো এনিমেশনের কাজে হাত দিতে পারেন এনিমেটেড বিজ্ঞাপন, এমনকি কয়েক মিনিটের এনিমেটেড মুভি বলিউডে সম্প্রতি তৈরী হয়েছে টুনপুর কা সুপার হিরো এই মানের এনিমেশন বাংলাদেশে করা সম্ভব মনে করিয়ে দেয়া যেতে পারে, বেশ কয়েক বছর আগে মন্টুমিয়া তৈরী হয়েছিল বিষয়টি সামনের দিকে যায়নি কাজেই সেকাজ খুব সহজ ধরে নেবেন না স্পন্সর যদি মনে করে এনিমেশনের থেকে ভিডিওর দাম বেশি তাহলে মনের দুঃখ মনে চেপে সামনে এগোতে চেষ্টা করবেন
লক্ষ্য যখন ঠিক হয়েই গেছে তখন কাজের ধরনের দিকে একবার দৃষ্টি দেয়া যাক, সংক্ষেপে
এনিমেশনের জন্য মডেল তৈরী করা এক কাজ, সেগুলিকে পছন্দমত রঙচঙে করা আরেক কাজ, বিভিন্ন দিকে লাইট-ক্যামেরা বসানো আরেক কাজ এবং সেগুলোর নড়াচড়া (মুল এনিমেশন) আরেক কাজ এর প্রতিটি কাজই এতটা জটিল হতে পারে যে একার পক্ষে সবকাজ করা সম্ভব হয় না এনিমেশন ষ্টুডিওতে ভিন্ন ভিন্ন কাজ ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি করে মডেলারের কাজ শুধুমাত্র মডেল তৈরী করা, এনিমেটরের কাজ তৈরী জিনিষগুলি এনিমেট করা সম্ভব হলে দল গড়ুন এবং প্রত্যেকের কাজ আগেই নির্দিষ্ট করে দিন
যদি একাই সব কাজ করতে চান তাহলে কখনো বড়কাজের সুযোগ পাবেন না জানেন নিষ্চয়ই, আপনি একা পুকুর কাটতে পারেন না বড়জোর একটা গর্ত বানাতে পারেন
যদি একা কাজ করতেই হয় তাহলে আরেকটি দিক হতে পারে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বিদেশের কাজ করা থ্রিডি মডেল তৈরীতে দক্ষ হলে ঘরে বসে কাজ করতে পারেন আয় সম্পর্কে কিছুটা ধারনা দিতে পারি, একটি ক্যারেকটার মডেল করার জন্য পাবেন কমপক্ষে ১০০ ডলার, সময় লাগবে ১ থেকে ২ দিন

বিস্তারিত জানতে স্বপ্ন একাডেমি বিডি এর সঙ্গে থাকুন। 
ধন্যবাদ
নুরুজ্জামান ফারাবি
 

Sample text

Sample Text

Sample Text

 
Blogger Templates